১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

প্রিয় পাঠক আপনি হয়তো ১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল কোনগুলো  সে সম্পর্কে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছেন কিন্তু তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল কোন গুলো তার সঠিক তথ্য কোথাও খুঁজে পাননি । আজকের পোস্টটি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল সম্পর্কে। এছাড়াও পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে আপনি আরো জানতে পারবেন তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল ২০২৩ বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য।
১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
এজন্য আপনার নতুন বাইক কেনার ক্ষেত্রে তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল ২০২৩ বাংলাদেশ এ সম্পর্কে অজানা তথ্য বিস্তারিত জানতে পোস্টে না টেনে শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন।

১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল

বর্তমানে মোটর সাইকেল এর বাজারে বিভিন্ন ধরনের মোটরসাইকেল পাওয়া যায় এর মধ্যে অধিকাংশ মানুষদের চাহিদার তালিকায় থাকে ১০০ সিসি কিংবা ১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল গুলো। তবে বর্তমান মোটরসাইকেল এর বাজারে ১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল গুলো অনেক বেশি বিক্রি হচ্ছে ।

১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটর সাইকেল গুলোর মধ্যে অন্যতম মোটরসাইকেল হলো সুজুকি জিএস এক্স যা পারফরমেন্স এবং তেলের দিক দিয়ে অলরাউন্ডার বলা যেতে পারে। এটি একটি কম্পিউটার বাইক এতে এয়ারকুলড ইঞ্জিন রয়েছে। বাংলাদেশে এই সুজুকি জিএস এক্স মডেল এর বাইকটির দাম ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৯৫০ টাকা।

এই বাইকটি কালো লাল এবং নীল রঙে অ্যাভেলেবল রয়েছে। বাইকটির ওজন ১২৬ কেজি। এই ১২৫ সিসি বাইকটি ১ লিটার তেলে ৬০ কিলোমিটার এর বেশি পথ পাড়ি দিতে পারে নিশ্চিন্তে। এছাড়াও রয়েছে বাজাজ ডিসকভার 125 এই বাইকটি বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি বাইকের মধ্যে অন্যতম যেটা অনেক জায়গায় লক্ষ্য করা যায়। এই বাইকটির জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে এর পারফরমেন্স এবং তেল সাশ্রয়। 
এই মোটরসাইকেলটিতে রয়েছে ফোর স্ট্রোক এবং এয়ারকুল ইঞ্জিন। এই বাইকটার মাইলেজ বেশি এবং মেনটেনেন্স খরচ অনেক কম। বাজাজ ডিসকভার এর অনেকগুলো সেগমেন্টের বাইক রয়েছে এর মধ্যে এই মডেলটির বাইকের বর্তমান বাজার মূল্য হলো এক লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা। ১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল এর মধ্যে আরো রয়েছে হোন্ডা সিবি সাইন ১২৫ বাইকটি সিঙ্গেল সিলিন্ডারের ১২৪ সিসির এয়ারকুল ইঞ্জিন দ্বারা তৈরি। 

এই বাইকটির জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। উন্নত মাইলেজ এবং রি-ফাইনমেন্ট এর জন্য বাইকটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল এর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি হাইওয়েতে অনেক ভালো পারফরম্যান্স দিবে তেল সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এই ১২৫ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল এর বর্তমান বাজার মূল্য এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা। 

তম তেল সাশ্রয়ী বাইকের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় এবং যেটা জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে এই বাইকটি হলো টিভিএস রাইডার বাজারে আসতে না আসতে অনেক বাইক লাভাররা এই বাইকটি কিনে নিচ্ছে কারণ এর পারফরমেন্স এবং তেল সাশ্রয়ী মানুষকে মুগ্ধ করে দিয়েছে। এবং এই বাইকটির লুক অনেক সুন্দর। বাইকটিতে ব্যবহৃত হয়েছে এয়ারকুলড এবং ওয়েলকুলড ত্রি ভাল্ভ ইঞ্জিন। মূলত এই ছিল ১২৫ সিসি টেল সাশ্রয় মোটরসাইকেল গুলো ।

তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল ২০২৩ বাংলাদেশ

বর্তমান বাজারে তেল সাশ্রয়ী অনেক ধরনের বাইক রয়েছে এর মধ্যে অন্যতম বাইক গুলো হলো ইয়ামাহা কোম্পানির বাইক এবং বাজাজ কোম্পানির বাইক।সাধারণত ১০০ সিসি এবং ১২৫ সিসি বাইক গুলো বেশি মাইলেজ দিয়ে থাকে তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স এবং মাইলেজের দিক দিয়ে দেড়শ সিসি বাইক গুলো অনেক ভালো হয়ে থাকে। 

তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বাজাজ ডিসকভার বাজাজ সিটি হান্ড্রেড ,টি ভিএস রাইডার ,হোন্ডা সিবি শাইন,পালসার , ইয়ামাহা এফ জেড এস দেড়শ সিসি এছাড়াও রয়েছে হিরো হাঙ্ক ১৫০ সিসি সুজুকি জিক্সার ১৫০ সিসি ইত্যাদি সকল বাইক বর্তমানে পারফরম্যান্স এবং তেল সাশ্রয় এর দিক দিয়ে অনেক জনপ্রিয় বাইকগুলোর মধ্যে অন্যতম। 

তাই আপনি যদি নতুন বাইক কেনার চিন্তাভাবনা করে থাকেন এই ২০২৩ সালে থেকে তবে নিশ্চিন্তে বাইকগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি বাইক নিয়ে নিতে পারেন। এই বাইকগুলোতে আপনি হাইওয়েতে অনেক ভাল পারফরমেন্স পাবেন এবং তেল খরচ কমিয়ে নিয়ে আসতে পারবেন।

কম তেলে বেশি চলে কোন মোটর সাইকেল

বর্তমান সময়ে প্রতিটি মোটরসাইকেল চালক চায় তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল অর্থাৎ কম তেলে বেশি চলে এ ধরনের মোটরসাইকেল কিনতে। মোটরসাইকেল বাজারে কম তেলে বেশি চলে এ ধরনের মোটরসাইকেল অনেক রয়েছে এর মধ্যে অন্যতম মোটরসাইকেল গুলো হলো বাজাজ কোম্পানির মোটরসাইকেলগুলো এবং tvs কোম্পানির মোটরসাইকেল। 

বর্তমান সময়ে এসে কম তেলে বেশি চলে এ ধরনের মোটরসাইকেল গুলোর মধ্যে অন্যতম মোটরসাইকেল গুলো হলো ইয়ামাহা স্যালুটো ,সুজুকি হায়াতে, টিভিএস রাইডার, বাজাজ প্লাটিনা, এছাড়াও হিরো গ্রুপের মোটরসাইকেল গুলো অনেক ভালো পারফরমেন্স এবং তেল স্বাস্ত্রই হয়ে থাকে এর মধ্যে অন্যতম হলো হিরো স্প্লেন্ডার।

মূলত বর্তমানে এই মোটরসাইকেলগুলোই বেশি জনপ্রিয় তাদের তেল কম খাওয়ার জন্য এবং পারফরম্যান্স ভালো হওয়ার জন্য। এ সকল ১০০ সিসি ১২৫ সিসি কিংবা ১৫০সিসি সকল বাইকগুলো মেইনটেনেন্স খরচ অনেক কম হয়ে থাকে সেজন্য অনেক বাইক লাভাররা এসকল বাইক অনেক বেশি পছন্দ করে।

১ লিটার তেলে কত কিলোমিটার যায় মোটরসাইকেল

বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক ধরনের বাইক রয়েছে। তবে এক লিটার তেলে কত কিলোমিটার যাবে সেটা নির্ভর করে সেই মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের ওপর । অনেক সময় চালানোর ধরন এবং রাস্তার উপরেও মাইলেজ নির্ভর করে। সাধারণত বর্তমান সময়ে সর্বোচ্চ একটি মোটরসাইকেল থেকে লিটার তেলে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ পাড়ি দেয়া সম্ভব তবে সেটা কিছু কিছু মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল। 
40 থেকে 50 কিলোমিটার পর্যন্ত পথ পাড়ি দিতে পারে অনায়াসে। তবে স্পোর্টস বাইক যেগুলো রয়েছে সেগুলো ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বা ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে। স্পোর্টস বাইক গুলোর ইঞ্জিন সাধারণ বাইকের ইঞ্জিনের মধ্যে কার পার্থক্যের জন্যই মূলত স্পোর্টস বাইক গুলোতে মাইলেজ কম দেয় এবং এগুলো দূরের যাত্রার ক্ষেত্রে অনেক ব্যয়বহুল হতে পারে কারণ এগুলো মেনটেনেন্স খরচ অনেক বেশি হয়ে থাকে।

১৫০ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল ২০২৩

বর্তমান বাজারে দেড়শ সিসি বাইক গুলো অনেক ক্ষেত্রেই তেল সাশ্রয়ী হয়ে থাকে। অনেকে মনে করেন দেড়শ সিসি বাইক গুলোর ইঞ্জিন এবং এর কম সিসি যুক্ত ইঞ্জিনগুলোতে অনেক পরিবর্তন থাকে। সেজন্য দেশের মধ্যকার দেড়শ সিসি বাইকগুলোর মাইলেজ কম দেয় এটি একটি ভুল ধারণা। কিছু কিছু ক্ষেত্রেই দেড়শ সিসি বাইক গুলো অনেক বেশি মাইলেজ দিয়ে থাকে। 

বর্তমানে দেড়শ সিসি তেল সাশ্রয়ী মোটরসাইকেল গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সুজুকি জিক্সার ১৫০ সিসি, পালসার ১৫০ সিসি, হিরো হাঙ্ক ১৫০ সিসি, ইয়ামা হা এফ জেড এস ১৫০ সিসি ।এই বাইক গুলো ১৫০ সিসি এর মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় তেল সাশ্রয়ীর জন্য এবং বাইকগুলোর পারফরম্যান্সের জন্য।

সুজুকি মোটরসাইকেল দাম ২০২৩

বর্তমানে ২০২৩ সালে মোটরসাইকেলের দাম অন্যান্য সালের থেকে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে । সুজুকি জিক্সার এর দাম আগের তুলনায় ৫০০০ টাকা বেড়েছে। এছাড়াও সুজুকি জিক্সার এস এফ রয়েছে যার দাম পূর্বের বাজার মূল্যের থেকে ৮০০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সুজুকি জিক্সার বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় একটি বাইক কোম্পানি।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বাইক

বর্তমান সময়ের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া বাইক গুলোর মধ্যে অন্যতম বাইক হলো বাজাজ কোম্পানির পালসার বাইক টি। এই বাইকটির পারফরম্যান্স অত্যন্ত ভালো হওয়ায় এবং বাইকটি তেল সাশ্রয়ী হওয়ায় । 
খুব সহজেই বাংলাদেশের মানুষের মন জয় করে ফেলে পালসার বাইকটি। এই পালসার বাইক এর মেইনটেনেন্স খরচ অনেক কম এবং এই বাইকটির ব্রেকিং এবং কন্ট্রোলিং অনেক ভালো হওয়ায় প্রতিটি বাইক লাভার মানুষ দের প্রিয় বাইক হয়ে ওঠে বাজাজ পালসার।

বাংলাদেশের প্রথম মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড কোনটি?

বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই বাইকের প্রচলন রয়েছে তবে পূর্বের সবাই বাইকের অধিক মূল্য হওয়ার জন্য বাইক কিনতে পারত না কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে। অনেক বাইক রয়েছে যেগুলো স্বল্প মূল্যে এবং কিস্তি সুবিধা তে কিনতে পারে সাধারণ মানুষজন। বাংলাদেশে ২০০০ সালের শুরুর দিকে বাইক উৎপাদন শুরু হয় এবং এর বাইক উৎপাদন টি শুরু করে ওয়ালটন গ্রুপ।

বাংলাদেশের কোন জেলায় মোটরসাইকেল বেশি

বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার থেকে ঢাকায় মোটরসাইকেল এর সংখ্যা বেশি কারণ ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। ঢাকায় অনেক মানুষ বসবাস করে সেজন্য এই মোটরসাইকেল বেশি হওয়ার তথ্য অস্বাভাবিক কিছু নয়। বর্তমান সময়ে রেজিস্টার্ড মোটরসাইকেল এর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এর মধ্যে পূর্বের বাইকের হার অনুযায়ী ঢাকা তে ১০ হাজারের বেশি বাইক থাকতে পারে। 
২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী রেজিস্টার কৃত মোটরসাইকেল এর সংখ্যা ছিল ৪১ হাজার চারশ টি এর মধ্যে ঢাকা তেই মোটর সাইকেল ছিলো প্রায় ৬৫০০ এর মত। ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ায় জীবিকার দায়ে অনেকেই ঢাকায় অবস্থান করেন এজন্য ঢাকায় জনসংখ্যা অনেক বেশি সে দিক দিয়ে বিবেচনা করলে ঢাকা জেলায় বাংলাদেশের সব জেলার তুলনায় বেশি মোটরসাইকেল থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়।ঢাকায় অনেক ধরনের বাইক সার্ভিস সুবিধা রয়েছে সেজন্য বাইকার অনেক বেশি।

শেষ কিছু কথা

আশা করি ব্লগ পোস্টটি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে। ব্লগ পোস্টটিতে আমরা আপনাদের জানানোর চেষ্টা করেছি তেল সাশ্রয়ী বিভিন্ন ধরনের বাইক সম্পর্কে ।আমরা সকল ধরনের আপডেট নিউজ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক , এছাড়াও অনেক বিষয়ে প্রতিদিন পোস্ট করে থাকি।আপনি আমাদের সাথে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে খুব সহজেই প্রতিনিয়ত অনেক অজানা তথ্য সবার আগে জানতে পারবেন। আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে সকল পোস্ট সবার আগে পেতে  গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। গুগল নিউজ লিংক





Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url